ব্লগিং করে সব স্বপ্ন পূরণ করুন

আপনি যখন ব্লগিং করে বাড়িতে বসেই সব স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন তখন কেন অন্যের দরজায় গিয়ে কাজ খুঁজবেন ? ব্লগিং করুন রাজার মতো থাকুন।
ব্লগিং থেকে ইনকাম

আজকের নিজের ব্লগ সাইট শুরু করুণ

হ্যাঁ আপনি নিজের একটি বাংলা ব্লগ দিয়েই সব স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। আপনার মাথার উপর আপনার কোনও বস থাকবে না। আপনার যখন ইচ্ছে হবে কাজ করবেন। যখন ইচ্ছে হবে না, কাজ করবেন না।
ভারতে এমন অনেক ব্লগার আছেন যারা ঘরে বসেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করেন। চলুন তাদের সঙ্গে পরিচয় করা যাক।
কিন্তু মনে রাখবে,ব্লগিং শুধু ইনকাম করার জন্যই নয় ব্লগিং হল নিজের জানা বিষয় অন্যকে জানানোর জন্য শেখানোর জন্য। সকলকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য।

Indian top 10 blogger today

উপরের ছবি অনুসারে লিস্ট করা হল।

Amit Agarwal এর ব্লগের নাম Labnol. উনার ব্লগে প্রতিমাস ৩০০০০০০ (৩০ লাখ) পেজ ভিউ হয়। উনার মাসে ইনকাম $২৫০০০-$৫০০০০ টাকা।

Pritam Nagrale এর ব্লগের নাম Moneyconnexion. উনার প্রতিমাসে পেজ ভিউ হয় ১৫ লাখ। উনার ব্লগের ইনকাম যথেষ্ট বেশি, উনি নিজেই জানিয়েছেন উনি উনার ব্লগ থেকে ১ মিলিয়ন ডলার আজ পর্যন্ত ইনকাম করেছেন।

Harsh Agarwal ব্লগিং দুনিয়ায় মোটামুটি সবার পরিচিত মুখ। সারা দুনিয়ার সেরা সেরা ব্লগারদের ভেতর উনার নাম সম্মানের সঙ্গে প্রথম সারিতে নেওয়া হয়। উনার ব্লগ ShoutMeLoud প্রতিমাসে ১০ লাখ পেজ ভিউ পায়। ইনকার ২০০০০-৪৫০০০০ ডলার।
  

ভারতের সেরা মহিলা ব্লগার Shradha Sharma যার ব্লগের নাম SourStory. শ্রদ্ধা সর্মার প্রতিমাসে পেজ ভিউ ১০ লাখের সমান। উনার ইনকার ২০০০০$+ 

৫৭ বছর বয়সী এই ভদ্রলোক Anand khanse যার ব্লগের নাম thewindowsclub. উনার ব্লগের পেজ ভিউ প্রতিমাসে ১০ লাখের সমান। উনি ইনকাম করেন ২০০০০$ প্রতিমাসে।

হ্যাঁ ইনি বাঙালি। এবং সেরার সেরা বাঙালি ব্লগার। আভিজীৎ মুখার্জির ব্লগ গাইডিংটেক ব্লগে প্রতিমাসে পেজ ভিউ ১০ লাখের বেশি। এবং উনার ইনকাম ১৫০০০$ প্রতিমাসে।

হ্যাঁ ইনিও মহিলা। এবং এনার pinkvilla ব্লগে প্রতিমাসে পেজ ভিউ হয় ৫ কোটি 🤔 হ্যাঁ সত্যিই মাথা খারাপ করে দেওয়ার মতো ব্লগ। ইনার ইনকাম পেজ ভিউ এর তুলনায় অনেক কম। কারন ব্লগটি টেকনিক্যাল লাইনের নয়। নন্দিনী সেনরয় এর ব্লগের মাসে ইনকাম ১৫০০০$
  

আরুন বাবুর ব্লগে প্রতিমাস যা ভিজিটর আসে তার অনুসারে উনার ইনকাম অনেক বেশি। তারক.ইন ব্লগে প্রতিমাসে ভিজিটর ২ লাখের মতো। কিন্তু ইনকাম ১৫০০০০$

Aseem Kishore (OnlineTechTips)

মাসে পেজ ভিউ ২ লাখের কাছাকাছি ইনকাম ১২০০০০$

মাসে পেজ ভিউ ১ লাখের বেশি। ইনকাম ১০০০০$
আপনি শুনলে হয়তো অবাক হবেন আমাদের দেশেই এমন অনেক কম বয়সের ব্লগার বা ইউটিউবার আছে যারা মাসে লাখ টাকার বেশি ইনকাম করে।
Your blogging dream by Chupu

How to start a Bangla blog 

আপনি চাইলে আজকেই একটা বাংলা ব্লগ বানিয়ে নিতে পারবেন। 
আপনার যদি লিখতে ভাললাগে তাহলেই আপনি একদিন সাফল্য অবশ্যই পাবেন। ব্লগিং এর নিয়ম ব্লগিং করতে করতেই শিখতে পারবেন।
আপনি যদি নিজে কিছু করার স্বপ্ন দেখেন তাহলে ব্লগিং হচ্ছে সেরা সেরা অনলাইন ইনকামের মাধ্যম। 


How to create a free Bangla blog ?

Free Bangla Blog:- আপনি চাইলে খুব সহজেই একটা Bangla Blog বানাতে পারবেন। ব্লগ বানাতে আপনাকে টাকা খরচা করতেই হবে এমন কোনও ব্যাপার না। আপনি ফ্রিতেও একটা New Bangla blog site বানাতে পারবেন।
Free Bangla blog


Creat A free Bangla blog 

বেশিরভাগ সাইট ফ্রি তে ব্লগ বানানোর সুযোগ দিয়ে থাকে। www.blogger.com থেকে কিংবা www.wordPress.com কিংবা www.wix.com থেকে ফ্রিতেই আপনি একটা Bangla blog বানিয়ে নিতে পারবেন। এছাড়াও আরও অনেক সাইট আছে যেখানে ফ্রি ব্লগ বানানো যায়।

  • এরপর আপনার মনে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগবে আমি কি ফ্রি সাইট থেকে ইনকাম করতে পারব ? 
হ্যাঁ আপনি ফ্রি সাইট থেকেও ইনকাম করতে পারবেন। গুগল Blogger.com ফ্রি সাইটেও বিজ্ঞাপন দেয়।

এছাড়া আপনি এফিলেট মার্কেটিং এর মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারবেন।

  Creat a free Bangla Blog on Blogger


Free Bangla blog by Chupu


  • এরপর আপনার মনে হতেই পারে, সব যখন ফ্রিতেই পাওয়া যায় তখন লোকে টাকা খরচ করে কেন? 

ফ্রি ডোমেইন দিয়ে বানানো সাইট আর নিজের ডোমেইন দিয়ে বানানো সাইট দুটোকে রেঙ্ক করানোর সময় নিজের কেনা ডোমেইন অনেক দ্রুত রেঙ্ক করবে।
ফ্রি ডোমেইন নামে লোকের বিশ্বাস জন্মায় না। কিন্তু কেনা ডোমেইন একটা ব্রান্ড নাম তৈরি করে।
আপনি দেখুন banglablog.blogspot.com আর banglablog.com দুটো নামে ভেতর কতটা পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। জিবই বলে দিচ্ছে কোন নামটা প্রাধান্য পাবে।

 এখানেও সুবিধা অসুবিধার কথা আছে। আপনি যদি ব্লগারে একটা bangla blog বানান আর ওয়ার্ডপ্রেসে একটা বানান।
ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ (নিজের ডোমেইন হোস্টিং কেনা) হবে নিজের। ব্লগারের ব্লগ কখনই নিজের হয় না।
গুগল চাইলেই পুরো ব্লগটি উড়িয়ে দিতে পারে।
ওয়ার্ডপ্রেসে বানানো ব্লগের সব অধিকার আপনার।
ওয়ার্ডপ্রেসে হাজার হাজার প্লাগিন আছে যা একটি সাইটের রেঙ্ক থেকে শুরু করে সৌন্দর্য সব কিছুকেই স্বপ্নের মতো সুন্দর করতে পারে। ব্লগারে তা অসম্ভব।
একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটকে যেমন খুশি ভাবে সাজানো যায় কিন্তু কিন্তু ব্লগারে তা সম্ভব নয়।
এর চেয়েও বড় কথা Blogger seo আর WordPress seo
বিষয়টা দিনের আলোয় ছবি আঁকা আর অন্ধকারে ছবি আঁকার মতো ব্যপার ।
ব্লগারে আপনি জানতেই পারবেন না আর্টিকেলে কত % এসইও হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি সব আয়নার মতো পরিস্কার দেখতে পাবেন। ঠিক করতে পারবেন।


         

AdSense for Bangla website

আপনার bangla weebsite বা bangla blog website কি Google Adsense approval পায় নি? তাহলে আজকেই আপনার Bangla website এর জন্য Adsense approval নিয়ে নিন।

AdSense for all Bangla website


আজকের দিনে Google Adsense হচ্ছে যেকোনও ব্লগ বা ওয়েবসাইটের আয় করার মূল উৎস।
অনেক ব্লগ ওয়েবসাইট এমনকি Bangla website বা Bangla blog পর্যন্ত প্রতিমাসে লাখ টাকার বেশি আয় করে গুগল এডসেন্স থেকে।
এতেই অবাক হবেন না, এমন ব্লগ ওয়েবসাইটও আছে যেগুলো থেকে প্রতিদিন লাখ টাকার বেশি ইনকাম হয়।
তাই আপনার Bengali website এ Google Adsense থাকাটা একান্ত দরকার, যদি আপনি affiliate marketing থেকে বেশি ইনকাম না করছেন তো।
এই জন্যই আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় Adsense for Bangla website.


Why AdSense not approve my Bangla website ?

আপনার website Bangla বলে কোনও সমস্যা নেই। কারণ Google AdSense Support Bangla website. হ্যাঁ গুগল এডসেন্স বাংলা ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেয়। সেটা আপনি আমার ব্লগ দেখেই হয়তো বুঝতেই পারছেন।

তাহলে সবাই এপ্রুভ্যাল পায় না কেন? 
কিছু বিশেষ নিয়ম না মানার জন্য গুগল এডসেন্স সব ওয়েবসাইটকে এপ্রুভ্যাল দেয় না।

  • ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সাফিসেন্ট কন্টেট না থাকা।হ্যাঁ আপনি যদি আপনার ব্লগ সাইটে দু একটি পোস্ট করেই এডসেন্সের জন্য এপ্লাই করেন তাহলে আপনি এপ্রুভ্যাল পাবেন না।
  • আপনি যদি অন্য কোনও জায়গা থেকে লেখা বা ছবি কপি করেছেন তাহলেও আপনি এপ্রুভ্যাল পাবেন না।
  • আপনি যদি SEO friendly post না করেছেন তাহলেও আপনি এপ্রুভ্যাল পাবেন না। 

Best tricks AdSense for Bangla website approval

গুগল এডসেন্স এপ্লাই করার আগে আপনাকে যা যা করতে হবে,-
  • প্রাধান পাঁচটি পেইজ তৈরি করা
  1. About me/about us
  2. Contact us
  3. Privacy policy
  4. Disclaimer
  5. Sitemap

গুগল এডসেন্স এপ্লাই করবার আগে আপনার এই পেইজগুলি অবশ্যই থাকতে হবে। আপনি গুগল সার্চ করে ফ্রিতেই এই পাাঁচট পেইজ বানিয়েে নিতে পারবেন। এখান থেকে সাহায্য নিন
  • মিনিমাম ১৫ টি আর্টিকেল (১২০০+ শব্দ) লেখার আগে এপ্লাই করবেন না।   
  • গুগল এডসেন্স এপ্লাই করার পর থিম চেঞ্জ করবেন না। নতুন পোস্ট লিখতে পারেন অবশ্যই কিন্তু কোনও সের্টিং চেঞ্জ করবেন না।  
  • SEO friendly fast loading blogger template ব্যবহার করুন। আপনার ব্লগের থিম যেন seo friendly এবং fast loading হয়। এখানে ফ্রি থিম পাবেন
  • যে মেইল আইডি থেকে ব্লগ সাইটি বানিয়েছেন সেই মেইল আইডি দিয়েই এডসেন্স এপ্লাই করুন।
  • এডসেন্স এপ্রুভ্যাল পাওয়ার আগে কোনও অন্য কোম্পানির এড বা এফিলেট লিংক ব্যবহার করবেন না।
  • একবার এপ্রুভ্যাল না পেলে যে কারণের জন্য এপ্রুভ্যাল দেয় নি সেটা ঠিক করুন। বেশিরভাগ সময় এডসেন্স এপ্রুভ্যাল না দেওয়ার কারণ জানিয়ে দেয়। যদি না জানায় তাহলে কয়েকদিন অপেক্ষা করে, ভুলত্রুটিগুলো চেক করে পুনরায় এপ্লাই করুন।          
আপনি উপরের নিয়মগুলো সঠিক ভাবে মেনে চললে ৯৯.৯৯% Adsense approval পাবেন Bangla website এর জন্য।
এরপরেও যদি আপনার প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টে লিখুন, আমি সব প্রশ্নের উত্তর দেবো। 
          


কীভাবে ব্লগিং শুরু করবেন জেনেনিন

আপনি কি ব্লগিং শুরু করতে চাইছেন? কিন্তু বুঝতে পারছেন না কীভাবে ব্লগিং শুরু করবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। আজকের পর আপনাকে আর ভাবতে হবে না কীভাবে ব্লগিং করবেন।
আপনি www.blogger.com থেকে একটি ব্লগ ফ্রিতেই অনায়াসে বানাতে পারবেন। নিচে ভিডিও দেওয়া হয়েছে সেখানে আপনি দেখতে পারেন কীভাবে একটি ব্লগ সহজেই তৈরি করা যায়।

ব্লগিং শূন্য থেকে একশ

  • সবসময় মনে রাখবেন আমরা কেউ কিছুই শিখে আসি নি, যা শিখেছি নিজের প্রয়োজনে এখানেই শিখেছি। 
  • তাই কোনও কিছুই কঠিন নয়। আপনি যদি মনে করেন ব্লগিং সত্যিই সহজ তাহলেই সহজ লাগবে।
  • আজকের দিনে নতুনদের কাছে ফেসবুকও সহজ নয়, তবুও লাখ লাখ লোক প্রতিদিন ফেসবুক একাউন্ট খুলছে এবং ধিরে ধিরে সবই শিখে যাচ্ছে।
  • তাই আপনিও ব্লগিং শিখতে পারবেন, নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।   

ব্লগিং শূন্য থেকে শতক

আজকের দিনে একটি ব্লগ থাকা মানে অনেকটা সম্পত্তি থাকার মতো ব্যপার। অনেকেই নিজের লেখা ফেসবুকে বা অন্যের ব্লগে কিংবা পত্র পত্রিকায় প্রকাশ করে। 
না সেটা খারাপ কিছুই নয়, কিন্তু এটা অনেকেই জানে না যে- একটা লেখা যেখানে প্রথম প্রকাশিত হয় সেখানেই জমা থাকে সেই লেখাটির কপিরাইট অধিকার।
তারমানে ফেসবুকে প্রকাশিত আপনার কবিতা বা গল্পের কপিরাইট থাকবে ফেসবুকের কাছে। আপনি নিজেও সেই লেখা অন্যত্র প্রকাশ করলে কপিরাইট পাবেন। মানে, আপনার লেখাটি আর আপনার নেই। সেটি এখন ফেসবুকের। এটা একটা ছোট্ট উদাহরণ মাত্র।

    
এটা একটা দামী প্রশ্ন আমি কেন ব্লগিং করব? অনেকেই এই প্রশ্ন সরাসরি করেন। চলুন আমি বলছি কেন ব্লগিং করবেন।
  • নিজের লেখাকে নিজের করে রাখার জন্য।
  • নিজের লেখা থেকে নিজে রোজগার করার জন্য
  • নিজের জানা বিষয় অন্যকে জানানোর জন্য । 
এখন বলতেই পারেন এগুলো আমি অন্যের ব্লগে লিখে বা পত্র পত্রিকায় লিখেও করতে পারি।
এখানেই আমি বলব না পারেন না। নিজের ব্লগে লিখে যতটাকা রোজগার করতে পারবেন তা অন্যকোথাও লিখে তো দূরের কথা ভাল চাকরি ছাড়া করতে পারবেন না।  


Design by Chupu

তবে এটাও বাস্তব শুধুমাত্র টাকা রোজগার করার জন্য ব্লগিং করতে এলে সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই হবে না।
  • লিখতে ভালবাসতে হবে।
  • নিয়মিত লিখতে হবে।
  • নিয়ম মেনে লিখতে হবে।
  • কোনও শর্টকাট বা অসত উপায় অবলম্বন করা চলবে না।  
  • নিজের ব্লগকে নিজের সন্তানের মতো যত্ন করতে হবে।
  • পাঠকের এবং সময়ের চাহিদা বুঝতে হবে।
যদি আপনি এগুলো করতে পারেন তাহলেই ব্লগিং করুন। নতুবা সরি, ব্লগিং আপনার জন্য নয়।
Why people blog ?

ব্লগ থেকে আয় 

একটি একমাসে কোটি টাকার বেশিও রোজগার করতে পারে। হ্যাঁ অবাক হওয়ার কিছুই নেই। Southmeloud.com neilpatel.com এমন অনেক সাইট আছে যাদের রোজগার আরও বেশি।
Google AdSense last month

ব্লগিং শুরু করুন

নিচের ভিডিওটি তিনটি পার্টে আছে সেখান থেকে আপনি পুরো বিস্তারিত ভাবে শিখতে পারবেন। 


এই লেখাটি পড়ুন 👉 ব্লগিং বিস্তারিত 


WordPress to blogger

WordPress to Blogger:-  If you want to transfer your wordpress blog to blogger.com then this article very helpful for you.

Transfer your blog WordPress to Blogger 


আজকের দিনে ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে ব্লগিং এর অন্যান্যতম একটি প্লাটফর্ম কিন্তু এরপরেও অনেকেই অনেক সমস্যার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস থেকে নিজেরদের ব্লগ কে ব্লগারে নিয়ে আসতে চান।
তাই আমাদের আজকের বিষয়,- WordPress to Blogger.

নীচের প্রতিটি স্টেপ যত্নসহকারে দেখুন 
Step 1: Export Posts from WordPress
  • First of all, login to your WordPress blog.
  • আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে লগইন করুন 
  • On the dashboard, click on the Tools option.
  • এরপর Tools অপশনে যান।
  • Now, hit on the Export feature.
  • আপনি চাইলে শুধুমাত্র পোস্টগুলিকেই নির্বাচিত করতে পারেন। 
  • Save the file on your device.
  • ফাইলটিকে আপনার ডিভাইসে সেভ করেনিন।
  • The exported file will be downloaded into WXR format.
  • ডাউনলোড করার সময় WXR ফাইল নির্বাচন করবেন।  



Step 2: Convert WXR to XML
  • Click this link – and use the choose file option and select the WordPress WXR format export file on your device.
  • উপরের লিংকে ক্লিক করে আপিনার ফাইল আপলোড করুন, তারপর এক্সপোর্ট   করেনিন।
  • Simply, click on the convert button to start converting process. It will take a couple of minutes to complete the converting process from WXR to XML.
  • এরপর WXR থেকে XML ফাইলে পরিবর্তিত করেনিন।

Step 3: Import XML file to ব্লজ্ঞের

ব্লগারে ইমপোর্ট করুন
  • Login to your blogger blog using your Google account.
  • Create the blog or you can also use your existing blog to import your posts of the WordPress to blogger site.
  • Click on the Settings then you will get several options in the dropdown list. Click on the Other option available on the second number from the downside.
  • সেটিংসে গিয়ে আদার (Other) অপিশনে যান।
  • Click on it and you will get on the new page.
  • On the first, you will see the button for Import Content.
  • Click on it and select the converted WXR file to XML format.
  • Upload this file to your blogger site by clicking the upload button.
  • Now, you will able to see the content in

যদি উপরের লেখাটি পড়ে আপনার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে তাহলে নীচের ভিডিওটি দেখুন



How to create proper backlink, Bengali article

Create proper backlink (Bengali article)


ব্যাকলিংক, - আজকে ২০২০ তে দাঁড়িয়েও একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে রেঙ্ক করানোর জন্য Backlink হচ্ছে অপরিহার্য উপাদান। Backlink ছাড়া একটি ব্লগ ওয়েবসাইটকে রেঙ্ক করানো প্রায় অসম্ভব।

Backlink কী? বা কাকে Backlink বলে?

Backlink  হচ্ছে একটি ব্লগ ওয়েবসাইটকে অন্য আরেকটি ব্লগ ওয়েবসাইটের সঙ্গে লিংক করা। ধরাযাক Premergolpo.com  একটি ওয়েবসাইট।
এবং এই সাইটটির ডোমেইন অথরিটি পেজ অথরিটি বেশ ভাল। এরপর এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে অন্য একটি ওয়েবসাইট যার ডোমেন বা পেজ অথরিটি অত ভাল নয়, লিংক করা হল। এখানে দুটি ওয়েবসাইট একে অপরের থেকে লিংক পাবে। এই লিংকই হচ্ছে ব্যাকলিংক।
দুটো ওয়েবসাইটেরই একটা করে Backlink তৈরি হল।

Backlink কেন বানানো হয়?    

যেহেতু গুগল কোনও মানুষ নয় তাই গুগলের পক্ষে ওয়েবসাইটের ভাল মন্দ বিচার করাও আপাতত সম্ভব নয়। তাই গুগল ওয়েবসাইটের গুরুত্ব বা চাহিদা বোঝার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির আশ্রয় নেয়।
Backlink হচ্ছে এমনই এক পদ্ধতি মাত্র। অর্থাৎ বড় কোনও ওয়েবসাইট ছোট কোনও ওয়েবসাইটকে লিংক করলে গুগল বুঝতে পারে অবশ্যই ছোট সাইটটির গুরুত্ব রয়েছে তাই বড় একটি সাইট তাকে লিংক করেছে। 
এটা বুঝেই গুগল ছোট সাইটটির রেঙ্ক উপরের দিকে নিয়ে আসে। এই জন্যই Backlink এর এত চাহিদা।
What is external link and internal link ?
  • External linking

আবার ছোট কোনও সাইট নিজের আর্টিকেলের ভেতর বড় বড় সাইটকে লিংক করে। যাকে external linking বলা হয়। এতে নিজস্ব আর্টিকেল বা সাইট কোনও ব্যাকলিং পায় না যে সাইটকে লিংক করা হয় সেই সাইট ব্যাকলিংক পায়। কিন্তু নিজস্ব সাইট শক্তি পায়। 
ধরুন আমি এখানে neilpatel.com কে 
লিংক করলাম। এতে আমি সামান্য হলেও শক্তি পাব। কিন্তু নিয়েল পাটেলের সাইট ব্যাকলিং পাবে। যদিও আমার এই সাইট থেকে নিয়েল পাটেল কখনই ব্যাকলিংক নেবে না। কেন নেবে না সেই প্রসঙ্গে পরে আসছি।
  • Internal linking
 নিজের সাইটের একটি পেজকে অন্য পেজের সঙ্গে Link করাকে internal linking বলে।
এই লিংকে ক্লিক করলে আপনি আমার সাইটের অন্য পেজে যাবেন আমার ওয়েবসাইটের বাইরে যাবেন না। এটাই হচ্ছে ইন্টার্নাল লিংক।

কীভাবে Backlink বানাবো

বর্তমানে ব্যাকলিংক তৈরি করা খুব ঝামেলার।
১) কেউ ব্যাকলিংক দিতে চায় না।
২) ভুল ব্যাকলিংক বানালে গুগলের প্যানাল্টি। একবার গুগলের প্যানাল্টি মানে মোটামুটি কয়েকমাসের ঘুম। অনেকে ফিরতেই পারে না। তাই ব্যাকলিংক বানাতে গিয়ে ভুল ব্যাকলিংক বানাবেন না।
ভুল ব্যাকলিংক মানে যে টপিক আপনার ব্লগের বা ব্লগপোস্টের নয় সেই টপিকের ব্লগপোস্টে লিংক বানিয়ে দেওয়া।
★★★★★
ব্যাকলিংক বানানোর বর্তমানে দুটো উপায়
  • গেস্টপোস্ট করা
  • কমেন্ট করে লিংক বানানো
গেস্টপোস্ট করার আগে যে সাইটে পোস্ট করতে চাইছেন সেই সাইটের DA এবং PA যেন মিনিমাম ২০+ হয়। নতুবা লিংক বানিয়ে লাভ নেই। উল্টে ক্ষতিও হতে পারে।
কমেন্ট করে লিংক বানাতে পারেন, টপিক সেম হলেই হল। ডিএ পিএ কম হলেও তেমন ক্ষতি নেই।
ব্যাকলিংক বানানোর আরও ভাল উপায়
গুরুত্বপূর্ণ 👉 ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে কিংবা উইক্সে কিংবা গুগলসাইটে নিজের একটা করে ফ্রি সাইট বানিয়ে সেখানে ব্লগপোস্ট করে লিংক বানাতে পারেন 😊 হাই কোয়ালিটি লিংক তৈরি হবে। তবে খুব বেশি করবেন না। খুব বেশি করলে নির্ঘাত প্যনাল্টি পাবেন।
🙏 লিংক কিনবেন না। লিংক জেনারেটর দিয়ে অটো লিংক বানাবেন না। একমাসের ভেতর গুগল আপনার সাইটকে সার্চ থেকেই সরিয়ে দেবে।
ব্যাকলিংকের থেকেও ইন্টার্নাল লিংকিং আজকের দিনে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে। নিজের রিলেটেড পোস্টগুলিকে একে অপরের সঙ্গে লিংক করুন। অনেক বেশি কাজ হবে।

নিম্নমানের ওয়েবসাইটে লিংক বানাবেন না। বা নিজের ওয়েবসাইট থেকে নিম্নমানের সাইটকে লিংক করবেন না। এতে নিজের সাইটের ক্ষতি হবে। এই জন্যই বলেছিলাম নিয়েল পাটেলকে আমি লিংক দিলেও সে নেবে না। কারণ উনার ব্লগ মারাদোনা আমার ব্লগ চারাপোনা। 

কোনও নিম্নমানের সাইট আমার সাইটকে ব্যাকলিংক দিলে আমি কী করব?

Google Disavow বলে গুগলের নিজস্ব প্রোডাক্ট আছে।
যেখান থেকে আপনি আপনার নিজের তৈরি করা ভুল লিংক বা অন্যের দেওয়া লিংক গুগলকে বলে ডিলিট করিয়ে দিতে পারবেন।
এখন কথা হল আমি জানব কীভাবে যে আমার সাইটে কোনও নিম্নমানের লিংক আছে কী না।
Samras এই টুল থেকে আপনি চেক করতে পারবেন। 
লোকোয়ালিটি লিংকগুলকে ধরে ধরে টেক্সট ফাইলে সেভ করে গুগল ডিসাভাও দিয়ে উড়িয়ে দিতে পারবেন।
#Banglablog #bengaliblogging #Backlink

একটি ভাল ব্লগ বানাতে কত টাকা খরচ হবে?

একটি ভাল ব্লগ বানানোর খরচা

না, একটি ভাল ব্লগ বানাতে একটি টাকাও খরচা নেই। গুগলের ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস, উইক্স সবেতেই ফ্রিতে ব্লগ বানানো যায়। 
আপনি হয়তো ভাবছেন ফ্রি ব্লগ জীবনেও রেঙ্ক করবে না। কিন্তু আমি দেখেছি দ্রুত রেঙ্ক করে ফ্রি ব্লগ। কারণ ফ্রি নাম গুলোতে কোম্পানির ডোমেইন অথরিটি থাকে।
    তাহলে ফ্রি ব্লগে সমস্যা কোথায়, হোস্টিংও তো ফ্রি। হ্যাঁ সমস্যা কিছু আছে তাই তো সবাই নিজের সাইট বানায় এত ক্ষরচা করে।
  • ব্লগটি আপনার নিজের হয়েও নিজের থাকবে না। যে কোম্পানির সাইটে ফ্রিতে ব্লগটি বানাবেন পুরো অথরিটি সেই কোম্পানির হাতে থাকবে।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে যেমন SEO থেকে Design সব Plugin মাধ্যমে হয় সেই সুবিধা ফ্রিতে পাওয়া যাবে না। তারমানে অন্ধের মতো পুরো কাজ করতে হবে। হাত ধরে পথ দেখানোরও কেউ থাকবে না।
  • যে কোম্পানির আন্ডারে আপনি ব্লগ বানাবেন সেই কোম্পানির সব নিয়ম নীতি আপনি মানতে বাধ্য থকবেন। 
  • এর চেয়েও বড় সমস্যা ফ্রি ব্লগে নিজস্ব ব্রান্ড কোনওদিন তৈরি হবে না। www.don.com আর www.don.blogspot.com দুটোতে আকাশ পাতাল তফাত।

তাহলে প্রফেশনাল ব্লগ বানানোর ক্ষরচা কেমন?   


২০১৫ সাল থেকে আমি ব্লগিং করছি। একসময় লিখতে ভালবাসি বলেই লিখতাম। এই পাঁচ বছরে অনেককিছু শিখেছি।
বর্তমানে আমার বেশ কয়েকটি ব্লগ আছে। অর্গানিক ট্রাফিক প্রায় ২ লাখের কাছাকাছি (মাসে)। গুগল এডসেন্স থেকে গড়ে ১০-১৩ ডলার দৈনিক আয় হয়।
না জেনে বুঝে ডোমেইন হোস্টিং কিনে একসময় অনেকটাকা নষ্ট করেছি।
একটি ভাল ব্লগ বানাতে ৫০০০-৭০০০ টাকার মতো লাগবে। যে বিষয়ের উপর ব্লগ বানাতে চাইছেন ডোমেইন এ যেন তার উল্লেখ থাকে। যেমন কবিতার ব্লগ আমারকবিতা.কম কিংবা প্রিয়কবিতা.কম
হোস্টিং অবশ্যই ভাল কোম্পানির কিনবেন। অনেকেই দাবী করেন তারা আনলিমিটেড হোস্টিং দেন। এটা এক্কেবারে মিথ্যে। আমি দেখেছি হোস্টিং এর উপর ব্লগের স্পিড নির্ভর করে। এমনকি এই স্পিড গুগল সার্চ রেঙ্ক অনেক উপরে করে দিতে পারে।
তাই হোস্টিং কেনার সময় অবশ্যই নজর রাখবেন। হোস্টিং খারাপ হলে ব্লগ কছুতেই ভাল হবে না। এই মুহুর্তে অনেক কোম্পানি অফার দিচ্ছে। হোস্টগেটারে ৬০% অফ + ফ্রি. কম ডোমেইন অফার চলছে। তিন বছর মিলিয়ে ৭৫০০-৮০০০ খরচা আসছে।
আমি যখন কিনেছিলাম তিনবছরে ১৩ হাজার টাকা পড়েছিল।
আপনি যদি মনে করেন এতটা ক্ষরচা করা ঠিক হবে না, তাহলে ব্লগারেও ব্লগ বানাতে পারেন। শুধু ডোমেইন কিনলেই হবে।

কীভাবে ব্লগিং শুরু করব?

সহজেই ব্লগিং শুরু করুন



দীর্ঘদিন আমি সাহিত্য রচনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়েছে ২০২৫ এর ভেতর এই সব পত্রপত্রিকার কদর অনেক কমে যাবে।
দিন দিন বড় পত্রপত্রিকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমনকি উনিশকুড়ির মতো পত্রিকাও বন্ধ হয়ে গেছে।
আমি কম হলেও ২০০ বেশি (আনন্দবাজার, দেশ সহ) পত্রপত্রিকায় গল্প উপন্যাস কবিতা লিখেছি। দুই দেশ মিলিয়ে আমার প্রকাশিত বই এর সংখ্যা সাত।
২০১৭ সাল থেকে আমি সমস্ত সাহিত্যিকদেরকে অনুরোধ করতে শুরু করি ব্লগিং করার জন্য। অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। অনেকের ব্লগ আমি নিজেই বানিয়ে দিয়েছি।
অনেকেই এই বিষয়টাকে পত্রপত্রিকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা বলে ধরে নিয়েছেন। কিন্তু এটা বিদ্রোহ নয়। সময় এবং সমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা মাত্র। আমি মনে করি যারা লিখতে পারেন তাদের অবশ্যই ব্লগিং করা উচিৎ।
পাঠক কমেনি, পাঠক বই কেনা পত্রিকা কেনা কমিয়ে দিয়ে অনলাইন পড়া শুরু করেছে। আজও অনলাইনে ভাল লেখার অভাব আছে, তাই আপনাদের উচিৎ এগিয়ে আসা।

 কীভাবে ব্লগিং শুরু করতে পারি?


আপনি ব্লগারে বা ওয়ার্ডপ্রেসে ফ্রিতেই ব্লগিং শুরু করতে পারেন।
ব্লগিং করার প্রথম সর্ত হল, লিখতে পারা। ব্লগিং করার প্রধান অস্ত্র হল, লিখতে ভালবাসা।
আপনি যদি লিখতে পারেন আর লিখতে ভালবাসেন তাহলে তিন মাসের ভেতর আপনি ভালভাবে ব্লগিং শিখে যাবেন।
ব্লগিং এ প্রচুর খুঁটিনাটি বিষয় আছে, যা জানলে বা শুনলে আপনার প্রথমেই মনে হবে ব্লগিং করা বেশ কঠিন। আচ্ছা যারা ফেসবুক সম্পর্কে কিছুই জানে না, তাদের কাছে ফেসবুক করাটা কী সহজ?
তারাও খুঁজে পায় না কী করব, কী করব না। আস্তে আস্তে তারাও সব শিখে যায়।
ব্লগিং শুরু করুন, দেখবেন আস্তে আস্তে সব শিখতে পারবেন। ২০১৫ তে আমি ব্লগিং শুরু করেছিলাম। তখন আমার জ্ঞানছিল অন্ধের আকাশ দেখার মতো। ২০১৭ থেকে ভালভাবে ব্লগিং শুরু করি।
আজকে আমার ব্লগ অনেকগুলো, ভিজিটর প্রতিমাসে ১৫০০০০ বেশি আসে। পুরোটাই অর্গানিক। দিনে আয় হয় ৮-১৩ ডলারের কাছাকাছি।
ব্লগিং সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানুন এখানে
আপনার পরের প্রশ্নছিল কোন বিষয়ে ব্লগিং করলে সফলতা পাওয়া সম্ভব?
আপনি যে বিষয় ভাল জানেন সেই সেই বিষয়ে ব্লগিং করুন।
আপনার তেমন ধারণা নেই অথচ প্রফিট বেশি হবে ভেবে যদি ব্লগিং শুরু করেন তাহলে কয়েক মাসের ভেতর আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। তাই নিজের পছন্দের বিষয়ে ব্লগিং করুন।
আমি জানি ইনসুরেন্সের উপর ব্লগিং করলে আয় অনেক বেশি হবে। কিন্তু আমি এটাও জানি ইনসুরেন্সের উপর ক্রমাগত ব্লগিং করা এবং সেই ব্লগপোস্টকে গুগল সার্চের টপে আনা প্রায় অসম্ভব (আমার পক্ষে)।
তাই বিষয় নির্বাচনের সময় নিজের পছন্দকে প্রধান্য দিন। সাফল্য অনেক দ্রুত আসবে।
নতুন ব্লগারদের জন্য বেস্ট টপিক
ব্লগিং করতে গিয়ে কোথাও কোনও সমস্যা হলে আমার মতো অনেকেই আছেন যারা সাহায্য করবেন। আপনার ব্লগিং যাত্রা শুভ হোক।

একটি ব্লগে কবে থেকে আয় শুরু হয়? 

🤑 আহা কেমন যেন টাকা টাকা গন্ধ পাচ্ছি 🤑
টাকা মাটি মাটি টাকা….
না কাজের কথায় আসি।
মানে আপনি আয় করতে ব্লগিং করতে চাইছেন এটা ধরেই নিলাম। ভাল কথা, এতে দোষের কিছুই নেই।
কিন্তু কবে আয় শুরু হবে আর কত আয় হবে সেটা আপনার উপর নির্ভর করবে।
যদি নিয়মিত সঠিক পথ মেনে ব্লগিং করেন তাহলে দুমাসের ভেতর একটু হলেও টাকার গন্ধ পাবেন। টাকার গন্ধ মানে টাকা নয়, এটা মাথায় রাখতে হবে।
এই গন্ধকে ভালবেসে যদি কাজে আরও বেশি মনযোগী হন তাহলে চার মাসের ভেতরেই টাকা দেখতে পাবেন।
ব্লগিং কিন্তু ভালবাসার বিষয়। গাফিলতি করলেই ফুড়ুৎ হয়ে যাবে। মানে টাকাটা মাটি হয়ে যাবে। ডোমেইন হোস্টিং সব জলে যাবে।
আমার বর্তমানে অনেকগুলি ব্লগ আছে। ভিজিটর কমবেশি ২ লাখ প্রতিমাসে, প্রায় পুরোটাই গুগল সার্চ থেকে আসে। আয় হয় ৩০০ ডলারের কিছু বেশি কিন্তু এখনো কোনও মাসে ৪০০ ডলার হয় নি।
এবার আসি আসল কাজের কথায়
  • নিয়মিত লিখবেন
  • গুগল সার্চ কনশোন প্লাস বিং দুটোতেই সাইটম্যাপ দেবেন
  • কিওয়ার্ড সার্চ করে লিখবেন
  • নিজের পছন্দের টপিকে লো কম্পিডিশন কিওয়ার্ড খুঁজে কাজ করবেন, লংটেল কিওয়ার্ড বেস্ট।
  • এস ই ও অবশ্যই করবেন
  • সোশাল সেয়ার করবেন
  • ব্যাকলিংক বানাবেন নিঁখুত ভাবে
  • ব্লগে টপিকের বাইরে ফালতু গল্প লিখবেন না
  • ব্লগে অবশ্যই চ্যাটিং অপশন রাখবেন
  • ভুল তথ্য মোটেও দেবেন না
  • লেখা বা ছবি একটিও যেন অন্যের না হয়। নিজে লিখবেন। ছবি ক্যানভায় বা অন্যকিছু দিয়ে নিজেই বানাবেন।
  • ছবিতেও এস ই ও করবেন, ছবির উপরে খুব ছোট করে নিজের ব্লগের নাম ব্যবহার করবেন।
হতাশ না হয়ে কাজ করুন ছয় মাস পর রেজাল্ট হাতে হাতে পাবেন। শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।
বাংলাব্লগার.ইন

কীভাবে ব্লগ ওয়েবসাইটে অর্গানিক ভিজিটর আনবেন?


যারা নতুন ব্লগিং করতে আসে তাদের এই সমস্যা হওয়াটা সাধারণ ঘটনা। তারা জানেই না কী করলে অর্গানিক ট্রাফিক আসবে। ব্লগ তো ফেসবুক নয় যে লিখলেই ট্রাফিক আসবে।

এখন প্রশ্ন হল কীভাবে অর্গানিক ট্রাফিক আসবে?

আমার সব ব্লগ সাইট মিলিয়ে দেড় থেকে দুই লাখ ভিজিটর প্রতিমাসে আসে। ৯৮% আসে গুগল সার্চের মাধ্যমে। আর গুগল এডের থেকে দৈনিক আয় গড়ে ১৩ ডলারের মতো। আমার ব্লগ ইংরেজিতে হলে আয় কয়েকগুন বেশি হত।


জানুন কীভাবে অর্গানিক ট্রাফিক আসবে  

  • আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটকে অবশ্যই Google search console and Bing webmaster tool এড করতে হবে।
  • প্রতিটি ব্লগ আর্টিকেলকে SEO Friendly হতে হবে। 
আরও পড়ুন  how to write proper SEO friendly article
  • Keyword research করতে শিখতে হবে। সেই কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে যার সার্চ ভলিউম ভাল কিন্তু কম্পিডিশন কম। এখানে আপনি ফ্রি তে Google keyword planner or ubersuggest ব্যবহার করতে পারেন। 
  • প্রতিটি রিলেটেড আর্টিকেলকে ইন্টার লিঙ্কিং করতে হবে।
  • ব্লগপোস্ট প্রকাশ করার পর সেই ব্লগপোস্টের লিংক বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ায় সেয়ার করতে হবে। যেমন ফেববুক টুইটার লিংডিন টাম্বলার ইত্যাদি।
    ব্লগপোস্ট লেখার আগে ব্লগপোস্ট লেখার পর কী করবেন।
অর্গানিক ভিজিটর না আসার আরেক প্রধান কারণ হল ব্লগ সাইটে নিয়মিত আর্টিকেল প্রকাশ না করা।
আপনি যদি আপনার ব্লগ সাইটে নিয়মিত লেখালেখি বা এডিটিং না করেন তাহলে আপনার ব্লগপোস্ট রেঙ্ক করাবে না গুগল।
সবসময় মনে রাখবেন গুগল প্রতিটি ব্লগারের প্রতিটি খুঁটিনাটি কার্যকলাপের উপর নজর রাখে।
উপরের নিয়মগুলি মেনে আপনি যদি ক্রমাগত আর্টিকেল লিখতে থাকেন তাহলে দু মাসের ভেতর আপনার ব্লগ গুগল সার্চে রেঙ্ক করতে শুরু করবে।
এর পরের স্টেপ হল ঃঃ- Proper Backlink তৈরি করা।
অনেকেই ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন না। অনেকেই আবার ভুল লিংক তৈরি করেন। যদি আপনাত ব্লগ রান্নার উপর হয় তাহলে আপনাকে লিংক রান্নার ওয়েবসাইট থেকেই নিতে হবে। আপনি যদি খেলার সাইট থেকে লিংক নেন সেটা আপনার সাইটের জন্য ক্ষতিকারক।