একটি সুন্দর প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানানোর কৌশল

স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আমাদেরকে কখনও না কখনও প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানাতে হয়। আমি এখানে আলোচনা করব কিভাবে একটি সুন্দর প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানানো যায়।
প্রজেক্ট বা প্রকল্প


একটি সুন্দর প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানানোর কৌশল 

প্রজেক্ট বা প্রকল্প




একটি সুন্দর প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানানোর জন্য সবার আগে প্রয়োজন পড়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে সবার প্রথমে একটা ইউনিক টপিক নির্বাচন করতে হবে, যদি টপিক স্কুল কলেজ বা ইউনিভার্সিটি না দিয়ে থাকে ।
স্কুল কলেজ বা ইউনিভার্সিটি যদি আমাদেরকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করে না দিয়ে থাকে তাহলে আমাদেরকে একটি সুন্দর বিষয় নির্বাচন সবার প্রথমে করতে হয়।
  • বিষয় নির্বাচন করার পর বিষয়টিকে আমি কিরকম ভাবে উপস্থাপন করব সেটা একটা নোটবুকে আগে লিখে নিতে হয়। তাহলে প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানাবার সময় সমস্যা তৈরি হয় না। 
  • আমি যে বিষয়ের উপর প্রজেক্ট প্রকল্প বানাতে চলেছি সেই বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে হয়।
  • কেন আমি এই বিষয় নির্বাচন করলাম বা এই বিষয়ের বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা কী সেটাও লিখতে হয়।
  • আলোচনা প্রসঙ্গে আমার নির্বাচিত বিষয়ের সঙ্গে যদি রিলেটেড কোন বিষয় এসে থাকে সেই বিষয় সম্পর্কেও সম্যক আলোচনা করলে বিষয়টা আরো ভালো দেখায়।
  • নির্বাচিত বিষয়কে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হয়। এখানেই প্রয়োজন পড়ে ছবির আর সুন্দর হাতের লেখার।
  • বর্তমান প্রযুক্তির যুগে বিভিন্ন মোবাইল এপ্লিকেশন থেকে বিষয় নির্ভর ছবি বানিয়ে নেওয়াটা আজকের দিনে বিরাট কিছু ব্যাপার না। পরে সেই ছবি প্রিন্ট করিয়ে নিলেই হচ্ছে।
  • প্রজেক্ট বা প্রকল্প লেখার সময় হাতের লেখাটার গুরুত্ব অনেক বেশি। হাতের লেখাটির উপরেই নির্ভর করে প্রজেক্ট বা প্রকল্প সৌন্দর্য।

কিভাবে প্রজেক্ট বা প্রকল্পকে সুন্দর করব 

হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল

প্রজেক্ট বা প্রকল্প কে সুন্দর করার জন্য সুন্দর হাতের লেখা এবং সুন্দর ছবির প্রয়োজন পড়বে। 
হাতের লেখা সুন্দর করার সবচেয়ে উত্তম কৌশল হচ্ছে সমস্ত বর্ণ থেকে আ-কার ই-কার ঈ-কার এ-কার ও-কার.... এগুলোকে তুলনামূলকভাবে বড় করে লেখা।
সুন্দর ছবি বানানোর জন্য যেকোনো মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যেতে পারে আমি উদাহরণস্বরূপ একটি অ্যাপ্লিকেশনের নাম জানিয়ে রাখলাম, Canva

ধরা যাক আমার প্রকল্প বা প্রজেক্ট এর বিষয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প পোস্টমাস্টার এর রতন চরিত্র

আমি সবার প্রথমে কেন এই বিষয়টি নির্বাচন করেছি এবং এই বিষয়টির গুরুত্ব কোথায় তা সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে বলব। এরপর... 
  1. আমি ছোটগল্প সম্পর্কে বলবো এবং অন্যান্য ছোটগল্পের সঙ্গে রবীন্দ্র ছোটগল্পের তুলনামূলক আলোচনা করব।
  2. এরপর রবীন্দ্র ছোটগল্পের সঙ্গে পোস্টমাস্টার গল্পটির তুলনামূলক  আলোচনা করব।
  3. আমি কেন রতন চরিত্রটিকে নির্বাচন করেছি এবং রতন চরিত্রটির বাংলা সাহিত্যে অবদান কতখানি সেটা ব্যাখ্যা করতে শুরু করব।
  4. রতন চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করার সময় রতন চরিত্রটিকে টুকরো টুকরো ভাগে বিভক্ত করে আলোচনা করব। কারণ এই চরিত্রের ভেতর দিয়ে রবীন্দ্রনাথ সমাজের অনেক জিনিসকে তুলে ধরেছেন। যেমন সেই সময়ের শিক্ষাব্যবস্থা সমাজ সংস্কৃতি পরিবেশ-পরিস্থিতি সবকিছুই ফুটে উঠেছে রতন চরিত্রের মাধ্যমে।
একটি সুন্দর প্রকল্প বা প্রজেক্ট বানানোর জন্য উপরের বিষয়গুলি যথেষ্ট। কিন্তু সব প্রোজেক্টের জন্য একই পদ্ধতি প্রয়োগ করলে চলবে না। প্রজেক্ট এর বিষয় প্রজেক্টটি কেমন হবে তা নির্ধারণ করে দেবে।

সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে প্রজেক্ট বানাচ্ছে তার ইউনিট কল্পনা তার প্রজেক্টকে সবার থেকে আলাদা এবং সুন্দর করে তোলে।
তাই কোনও প্রজেক্ট বা প্রকল্প বানানোর সময় নিজের চিন্তাশক্তির প্রয়োগ করাটা সবার আগে দরকার। 

কীভাবে অনলাইন ইনকাম করতে হয়

অনলাইন ইনকাম করার রাস্তা  

আপনি যদি সত্যি সত্যি অনলাইনে ইনকাম করার কথা ভাবছেন তাহলে এই পাঁচটি রাস্তা আপনাকে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য যথেষ্ট সাহায্য করবে।


অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সবার প্রথমে আপনাকে সিরিয়াস হতে হবে, এলাম দেখলাম কয়েকদিন কাজ করলাম চলে গেলাম এটা করলে কিন্তু আপনি অনলাইনে একটা টাকাও রোজগার করতে পারবেন না।
যারা অনলাইনে নিঁখুত ভাবে কাজ করে যান তারাই একমাত্র অনলাইন থেকে রোজগার করতে সক্ষম হন।
অনলাইনে রোজগার কথাটা শুনতে যত সহজ বাস্তবিক রোজগার করাটা কিন্তু ততটা সহজ নয় মোটেও। অনলাইন থেকে তারাই রোজগার করতে পারেন যারা তাদের কাজ সম্পর্কে সর্বদা সিরিয়াস থাকেন।
আপনাকে অনলাইনে ইনকাম করতে হলে আপনাকে কিন্তু সিরিয়াস হতে হবে এবং আপনার কাজ নিয়ে আপনাকে নতুন নতুন চিন্তাভাবনা প্রতিদিন করতে হবে। নতুন নতুন চিন্তাভাবনা আপনাকে অনেক নতুন রাস্তা খুলে দেবে ইনকাম করার জন্য।
আমি প্রায় দেখি কিছু মানুষ গুগলে কোরাতে কিংবা ইউটিউবে দিনরাত সার্চ করতে থাকেন যে তারা কিরকম ভাবে অনলাইনে ইনকাম করবেন, তারা সার্চ করেন, ভিডিও দেখেন, লেখাও পড়েন, কিন্তু সেটাকে বাস্তবায়িত করেন না।

অনলাইন ইনকামের পাঁচ সহজ রাস্তা

আপনি যে কাজটা ভালো জানেন আপনি সেই কাজ দিয়েই কিন্তু অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। যেমন ধরুন আমি লিখতে পছন্দ করি, আগে পত্র-পত্রিকাতে লিখতাম এখন পত্র পত্রিকায় লেখা ছেড়েদিয়ে আমি অনলাইনে নিজের ব্লগ ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে লিখছি।
আমার স্ত্রী নাচ শেখাতে ভালবাসেন আবার গল্প শোনাতেও পছন্দ করেন উনার জন্য একটা ইউটিউব চ্যানেল এবং একটা ফেসবুক পেজ বানিয়ে দিয়েছে।
তাই আপনি যেটা ভালো পারেন আপনি আপনার সেই কাজটা দিয়েই অনলাইনে রোজগার করতে পারবেন। অমুক বাবু বললেন আপনি তমুক কাজ করলে ভালো ইনকাম করবেন, আবার তমুক বাবু বললেন আপনি অমুক কাজ দিয়ে ভালো ইনকাম করতে পারবেন…. আপনি দুজনের কথাই শুনলেন এবং দুটোই চেষ্টা করলেন, কিন্তু এই দুই কাজের কোনটাই আপনার পছন্দের ছিল না বলে আপনি কোনটাই বেশিদিন করতে পারলেন না। লাভের লাভ আপনার কয়েকটা দিন নষ্ট হল।
অমুক বাবু বা তমুক বাবু কিছু ভুল বলেন নি উনারা উনাদের পছন্দের কাজ, যা দিয়ে উনারা অনলাইন ইনকাম করেছেন সেই উপায় আপনাকে বলেছিলেন কিন্তু সেই উপায় আপনার জন্য সহজ ছিল না, তাই আপনি পারেন নি।
গান গাইলে সিনেমা করলে কিংবা ক্রিকেট খেললে ভালো টাকা ইনকাম করা যায়, তা বলে কি আমরা সবাই ওই পথ ধরে নেব!!
ঠিক তেমনভাবেই অনলাইন ইনকাম করার ক্ষেত্রেও আপনাকে আপনার নিজের পছন্দের কাজটাকেই প্রায়োরিটি দিতে হবে।
অনলাইন ইনকাম করার জন্য যে পাঁচটা রাস্তা আমি আজকে আপনাকে বলছি তারভেতর হতে পারে কোনও একটা রাস্তা আপনার পছন্দের সঙ্গে মিলে গেল।
  1. রিসেলিং করার মাধ্যমে ইনকাম
  2. ব্লগিং করে ইনকাম
  3. ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে ইনকাম
  4. এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম
  5. ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম
আমি যে পাঁচটা রাস্তা বললাম এই পাঁচটা রাস্তাকে আমি কাজে লাগিয়েছি অনলাইন ইনকাম করার জন্য এবং আমি সবচেয়ে বেশি ইনকাম করেছি রিসেলিং ও ব্লগিং করে।
আমার বেশ কয়েকটা ব্লগ আছে এবং দৈনিক ভিজিটর ১০ হাজারের কাছাকাছি, আমি আমার ব্লগ থেকে বা রিসেলিং করে কত টাকা ইনকাম করি তা আগেই লিখেছি সেটা পুনরায় জানানোর প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না।
আপনি যদি সত্যি সত্যি অনলাইনে কাজ করার কথা ভাবছেন তাহলে আপনি নিচের লিঙ্কে গিয়ে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারেন যে কিরকম ভাবে কি করতে হয় অনলাইনে, এবং কোন কাজ কেমন ভাবে করলে সহজেই অনলাইন ইনকাম করা যায় সেটাও ওখানেই পাবেন।
অনলাইন ইনকাম

গুগল এডসেন্স আর্নিং কীভাবে ২৫% এর বেশি বাড়বে জানুন

গুগল এডসেন্স

এডসেন্স এর ইনকাম নির্ভর করে অনেক কিছুর উপর।যেমন, কিওয়ার্ড। ট্রাফিক কোয়ালিটি। কোন দেশের ট্রাফিক। এছাড়াও আরও কিছু সুক্ষাতিসুক্ষ জিনিস আছে।

বুস্ট এডসেন্স আর্নিং  

কিওয়ার্ড:—
আপনি কোন কিওয়ার্ড টার্গেট করে ব্লগপোস্ট লিখেছেন এবং রিডার কোন কিওয়ার্ড সার্চ করে আপনার সাইটে এসেছেন এটা প্রধান বিষয়। এর পর দেখার সেই কিওয়ার্ড এর সিপিসি রেট কত।
যেমন insurance, Life insurance, web hosting, website এই কিওয়ার্ডগুলির রেট অনেক বেশি। কিন্তু গল্প, কবিতা, প্রেম, এসবের সিপিসি নেই বললেই চলে।
সিপিসি হচ্ছে কস্ট পার ক্লিক

অর্থাৎ একটি এডে ক্লিক হলে আপনি কত টাকা পাবেন। সেটাই সিপিসি। তাহলে বুঝতেই পারছেন ভাল কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ না করলে যতই ভিজিটর আসুক আর এডে ক্লিক হোক তাতেও খুব একটা লাভ হবে না।

ট্রাফিক কোয়ালিটি :-

ট্রাফিক কোয়ালিটিরও বিভাজন আছে, ১) সার্চ কোয়ালিটি ২) কান্ট্রি কোয়ালিটি
  • আপনার আর্টিকেলের প্রধান কিওয়ার্ড আর ভিজিটরের সার্চ করা কিওয়ার্ড যদি সেম হয় তাহলে সেই ভিজিটরকে ভাল কোয়ালিটির ভিজিটর মানা হবে।
  • ইউসএ ইউকে কানাডা সুইজারল্যান্ড এর মতো উন্নত দেশের ট্রাফিককেও ভাল কোয়ালিটির ট্রাফিক বলা যেতে পারে। এক্ষত্রেও কিওয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই।
  • একি লেখা একি কিওয়ার্ড অথচ ভারত বাংলাদেশের ট্রাফিকেই ইনকামে প্রচুর ডিফারেন্স হবে। ভারতের ট্রাফিকে ইনকাম ১০০ টাকা হলে বাংলাদেশের ট্রাফিকে ইনকাম হবে ৬০ টাকার নিচে।
এরপরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ২৪ ঘন্টার ভেতর ট্রাফিক কোন সময় বেশি আসে। মানে দিনে না রাতে।
জানি আপনি হয়তো ভাবছেন এতে সিপিসি-র সঙ্গে কী যোগাযোগ। কিন্তু পুরো যোগাযোগটা এখানেই।
ধরুন আমি বিজ্ঞাপন দাতা, আমি গুগলকে (এডওর্যাড) বললাম বা সিলেক্ট করলাম,— আমার সিপিসি যেন রাত ১২টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত ২০টাকা পার ক্লিক থাকে। আর সকাল ছটার পর যেন কম থাকে। কিংবা এর উল্টোটা। তারমানে আমি রাতের ট্রাফিকে বেশি ইনভেস্ট করতে চাইছি।
উদাহরণ:— এডাল্ট ট্রাফিক (পর্ণ ট্রাফিক নয় কিন্ত, গুগল পর্ণ সাইটে বিজ্ঞাপন দেয় না) এডাল্ট ট্রাফিকরা যেহেতু সব জায়গায় সবকিছু সার্চ করতেও পারে না কিনতেও পারে না। তাই তারা রাতে কেনাকাটা করে। বিজ্ঞাপন দাতারাও এই জন্যেই রাতে বেশি ইনভেস্ট করেন।
আশাকরি বিষয়টা বোঝাতে পারলাম।

এরপর আসি মূল প্রসঙ্গে, তাহলে ২৫% এডসেন্স আর্নিং  বাড়াবো কীভাবে?

  1. কিওয়ার্ড সার্চ করে সিপিসি রেট দেখে আর্টিকেল লিখতে হবে। সিপিসি রেট দেখার জন্য এবং কিওয়ার্ড সার্চের জন্য Google keyword planner বেস্ট। এবং ফ্রি। অলটারনেটিভ হিসেবে ubersuggest ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটিও আর ফ্রি থাকল না। পেড হয়ে গেছে। তবুও ফ্রিতেই অনেককিছু তথ্য জানা যাবে।
  2. এমন আর্টিকেল লিখতে হবে যাতে ভিজিটর সহজে পালিয়ে যেতে না পারে। ধরুন আপনি মটন কশা নিয়ে লিখছেন, এমন ভাবে লিখুন যাতে পাঠক মটন কশা থেকে মটন কারি সবকিছুই পড়তে চায়। যেন চিকেন না খেয়ে কিছুতেই না যায়। অর্থাৎ ট্রাফিক যদিওবা মটনের খোঁজে এসেছিল, অথচ মটন চিকেন দুই গিলেছে। আরও কিছু গেলাতে পারলে আরও ভাল। যত সময় আপনার সাইটে থাকবে এবং এক পেজ থেকে অন্যপেজে ঘুরবে, ততই লাভ। বাউন্স রেট অনেক কম হবে।
  3. সাইট লোডিং টাইম কম হতে হবে। মানে ওয়েবসাইটটি যেন দ্রুত খোলে। এখানে জানিয়ে রাখি, ১ সেকেন্ড দেরিতে খুললে ১০০ জন ভিজিটরের ৭ জন অন্যত্র চলে যায়। ৫ সেকেন্ড দেরি হলে ১০০ জনের ৩৫ জন পালিয়ে যাবে। হাজার জনের ৩৫০ জন পালাচ্ছে তাহলে।
  4. ১০০০ জনে যদি আপনার ইনকাম হত ১০০ টাকা, ৩৫ জন পালিয়ে গেলে ইনকাম হবে ৬৫ টাকা। ভাবুন ভাবতে শিখুন। আপনি বাঙালি তাই এগুলো আপনার অনেক আগে ভাবার কথাছিল আপনি তাও ভাবেননি।
  5. বিজ্ঞাপনের পরিমান কমান। এডসেন্স সেটিং এ গিয়ে কমানো বাড়ানো যায়। বিজ্ঞাপনের পরিমান কম হলে কোয়ালিটি ভাল হবে। পাঠক বিব্রত হবে না। সিপিসি অনেক বেশি আসবে।
  6. এডসেন্স অটো-অপ্টিমাইজড করে রাখুন, তাহলে গুগল নিজেই এক্সপেরিমেন্ট করতে পারবে। সিপিসি অনেক বাড়বে তাতে।
আমি আমার ব্লগের সব পোস্টেই প্রচুর গোপন তথ্য এবং তত্ত্ব দিয়েছি, যা গুগলে একটি সাইটকে রেঙ্ক করতে এবং এডসেন্স ইনকাম বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে 👉 Blog in Bangla
কোরাতেও আমি ব্লগিং নিয়ে প্রচুর তথ্য দিয়েছি যা একজন ব্লগারের অনেক কাজে লাগবে। আপনি আমার কোরা প্রোফাইল ভিজিট করেও অনেক লেখা পড়তে পারবেন।
#googleAdSense

Online income

Online income করতে কে না চায়, কিন্তু online incomer আশায় ভিডিও দেখে আর ব্লগ পড়ে শুধুই সময় নষ্ট হয়। ইনকাম হয় না। ইনকামের সঠিক পথ দেখুন।
অনলাইন আয়


Online income - সঠিক পথ 

দেখুন অনলাইনে অনেক ভাবে ইনকাম করা সম্ভব কিন্তু যারা কাজ জানেন না তাদেরকে কাজ শিখে ইনকাম করতে হবে। সেই রাস্তা অনেক লম্বা, দুএক মাসে হবে না।
ব্লগিং থেকেও ইনকাম হয় ইউটিউব থেকেও ইনকাম হয়, কিন্তু ব্লগিং করা বা ভিডিও বানানো দুটোই শেখার বিষয়।

একজন কাজ না জানা লোক সহজেই কাজ করতে পারবে না।
আবার কাজ শিখে এডসেন্স থেকে আয় হতেও অনেক সময় লাগবে।

তাহলে online income কীভাবে করব? 

আমি বলব রিসেলিং করে। রিসেলিং করে আপনি সহজেই ভাল ইনকাম করতে পারবেন। আপনাকে কাজ শিখতেও হবে না, ইনকামের জন্য অপেক্ষায় করতে হবে না।
আজকে এই মুহূর্ত থেকেই আপনি ইনকাম শুরু করতে পারবেন।
চলুন বিষয়টা বুঝিয়ে বলি  
রিসেলিং মানে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করা। ধরুন আমাজন (আমি আমাজন নিয়ে বলব না) একটি কোম্পানি, কিন্তু আমাজন বিক্রি করে অন্যান্য কোম্পানির প্রোডাক্ট।
আমাজন সরাসরি নিজেও বিক্রি করে আবার আমাদের মতো যারা রিসেলিং করে তাদেরকে দিয়েও বিক্রি করায়।
আমি আমাজনের কোনও প্রোডাক্ট সেল করে দেওয়ার জন্য কমিশন পাব। আমাজন নিজের লাভের অর্ধেক বা তার একটু কম আমাকে দেবে।
উদাহরণ,- ধারা যাক এপেল একটি অনুন আইফোন লঞ্চ করল। দাম ৫০০০০ হাজার টাকা। এপেল আমাজন কে বলবে আমার এই নতুন আইফোনটি বিক্রি করুন আমি ৫০০০ হাজার দেবো প্রতি সেলে।
এবার আমি আমার এক বন্ধুকে আমার এফিলিয়েট লিংক থেকে আইফোনটি কেনালাম। যেহেতু আমি কেনালাম আমার লিংক থেকে তাই আমাজন আমাকে কমিশন দেবে।
এপেলের দেওয়া ৫০০০ (একটি সেলে) থেকে আমাকে ২০০০ দেবে, নিজে তিন হাজার রাখবে। 
এই যে আমি ২০০০ পেলাম এটাই রিসেলিং। কিন্তু আমি আজকে আমাজন বা ফ্লিপকার্টের কথা বলব না। আমি আরো সহজ একটি মোবাইল এপ্লিকেশনের কথা বলব।

India no 1 reselling mobile Application meesho          


হ্যাঁ আপনি meesho Application থেকে রিসেলিং করবেন। ভয় পাবেন না, মন দিয়ে পড়ুন। এই পদ্ধতি দুনিয়ার কেউ আপনাকে বলবে না।

  অনেকেই ভাবে ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপে সেয়ার করে রিসেলিং করব। অনেকে এটাই করে কিন্তু সেল আসে না।

দেখুন মানুষ যদি জানতে পারে যে, আপনার দরজায় পেচ্ছাপ করলে আপনার লাভ হবে তাহলে আর পেচ্ছাপ করতেও আসবে না। প্রোডাক্ট কেনা অনেক দূরের কথা। তাছাড়া একজন বন্ধুকে কতবার আর জিনিস বিক্রি করবেন?        

  How to resale on meesho product

আমি স্টেপ বাই স্টেপ বলছি মন দিয়ে পড়ুন, এখানেই আসল খেলা লুকিয়ে আছে। যদি সত্যিই ভাল অনলাইন ইনকাম করতে চাইছেন তাহলে মন দিয়ে পড়বেন প্লিজ।
  • এমন প্রোডাক্ট নির্বাচন করুন যা ছেলে মেয়ে ধনী দরিদ্র সবার কাজে লাগবে। 
  • যেমন চুল পড়া বন্ধ হওয়ার তেল, মুখের কালছে দাগ মোছার ক্রিম, দাঁতের প্রোডাক্ট। 
  • যে প্রোডাক্ট নির্বাচন করবেন সেই প্রোডাক্ট গুগলে সার্চ করে দেখুন, প্রোডাক্টের কোয়ালিটি কেমন, রেটিং কেমন, ফিডব্যাক কেমন, আর দাম কত এটা বেশি দরকার।       
  • আপনি আমাজন বা ফ্লিপকার্টের চেয়ে বেশি দামে কখনই জিনিস বিক্রি করতে যাবেন না, সেল আসবে না। সবাই কিছু কেনার আগে হাজারবার হাজার জায়গায় চেক করেই কেনে। 
  • Meesho Application এ আপনি এমন হাজার প্রোডাক্ট পাবেন যা আমাজন বা ফ্লিপকার্টের চেয়ে ১৫-২০ টাকা কমে বিক্রি করলেও ৫০ টাকার উপর লাভ থাকবে।
  • যে প্রোডাক্ট নির্বাচন করেছেন সেই নামে ফেসবুকে একটা পেজ বানিয়ে নিন। 
  • এরপর আপনাকে www.sites.google.com এ একটা ফ্রি ওয়েবসাইট বানাতে হবে। আরে ঘাবড়াবেন না। সহজেই বানাতে পারবেন।   

আমার দুটো পেজ একটু দেখুন তাহলে আপনারো বানাতে সুবিধা হবে।


  •  আপনার প্রোডাক্ট রেডি, ফেসবুক পেজ রেডি (ফেসবুক পেজ যদি বানাতে না জানেন, ইউটিউবে দেখে নিন) গুগল সাইট রেডি। 
  • এর পরের কাজ ফেসবুক পেজে গিয়ে বিজ্ঞাপন চালানো। জানি বিজ্ঞাপন চালানোর কথা শুনে আপনি পিছিয়ে যাবেন। কিন্তু বন্ধু আর পিছনে যাওয়া রাস্তা নেই। আপনাকে সত্যিই যদি ইনকাম করতে হয় তাহলে বিজ্ঞাপন দিতেই হবে।
  • প্রতিদিন ৫০ টাকা বাজেটে মাসে ১৫০০ টাকা। 
  • জানি একজন বেকার ছেলে মেয়ের কাছে দেড় হাজার টাকা অনেক টাকা। কিন্তু সত্যিই বলছি আপনি যদি গুগল সাইটে পেজটাকে দারুণ বানাতে পেরেছেন তাহলে প্রচুর সেল আসবে।
  • মাসে দেড় হাজার টাকা খরচা করে আপনি ১৫০০০ টাকা অনায়াসে ইনকাম করতে পারবেন। 
  • আমি মাসে ৩০০০ টাকার বিজ্ঞাপন দি, আমার ইনকাম ৩৫০০০ হাজার টাকার বেশি। আপনি আগে ঠিক করুন আপনি দেড় হাজার টাকা খরচা করতে পারবেন কি না, তারপর ডাউনলোড করুন মিসো এপ্লিকেশন। 

Meesho Application referral code :-BAPPADI166

এই কোড ব্যবহার করলে আপনি প্রথম জিনিস কেনার সময় ৫০ টাকা ছাড় পাবেন, আমিও পাব ৫০ টাকা। 
রেফারেল না নিলে কেউই পাব না।
  • আপনার যদি কোথাও কিছু বুঝতে সমস্যা হচ্ছে বা Online income নিয়ে অন্যকিছু জানার আছে তাহলে কমেন্ট করুন আমি উত্তর দেবো। 

Increase your blogger page speed


Increase your blogger page speed more than 70%

How to increase blogger page speed ? ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য page speed বাড়ানোর অনেক প্লাগিন আছে কিন্তু ব্লগারে কীভাবে পেজ স্পিড বাড়াতে হয় জেনেনিন।
Boost blogger page speed


হ্যাঁ Blogger এর Page speed বাড়ানোও সম্ভব। কিছু জিনিস আপনাকে সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে তাহলেই ব্লগারের পেজ স্পিড বহুগুণ বাড়বে। 
  

পেজ স্পিড কম হলে কী কী সমস্যা হয় জানুন 

আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না একটি সাইটের পেজ স্পিড কম হলে কত সমস্যা হতে পারে।

  • পেজ স্পিড কম মানেই সার্চ রেঙ্ক করেও ভিজিটর হারানো। ধরুন আপনার সাইটে ঢুকতে ৫ সেকেন্ড দেরি হচ্ছে।
গুগলের হিসেব অনুসারে এক সেকেন্ড দেরিতে লোড হলেই ১০০ জন ভিজিটরের ৭ জন ফিরে যায়। ৫ সেকেন্ড লেট মানে ১০০ জনে ৫×৭= ৩৫ জন ফিরে যাবে। মানে আপনার সাইটে ১০০ জন আসতে চাইল কিন্তু এলো ১০০-৩৫= ৬৫ জন।

  • আপনি ১০০ জন ভিজিটরে ৩৫% লস করছেন ইনকামেও। 
  • পেজ স্পিড কম হলে সাইট রেঙ্ক করেও বেশিদিন রেঙ্ক ধরে রাখতে পারবে না।
আপনি নিজেই ভাবুন ৫০০০ ভিজিটরে ১৭৫০ জন ফিরে যাওয়া মানে বাউন্স রেট কত বাড়বে। বাউন্স রেট বেশি হলে সাইটের DA & PA দুটোই কম হবে।

How to increase blogger page speed ?

বেশ কয়েকটি বিষয়ের দিকে নজর দিলেই পেজ স্পিড বাড়বে। 

ফাস্ট লোডিং থিম ব্যবহার করতে হবে। থিম যেন ভারি বা বেশি ডিজাইন যুক্ত না হয়। যত হাকলা থিম হবে ততই স্পিড বাড়বে। 

Use webp format image


ফর্মাটে না রেখে webp ফর্মাটে ব্লগে আপলোড করুন। ছবির কোয়ালিটি কমবে না কিন্তু সাইজ কমবে ৮০%-৯৫% 

Google নিজের গাইড লাইনেও webp ফর্মাটকেই প্রাধান্য দিয়েছে। তবে এই ফর্মাট ওয়ার্ডপ্রেস সাপোর্ট নয় আপাতত। ব্লগারে ব্যবহার করতে পারবেন অনায়াসে।

Google AdSense ব্যতীত অন্য কোম্পানির জাভাস্ক্রিপ্ট এডকোড লাগানো চলবে না। তাতেও স্পিড অনেক কমবে।   

এই তিনটা জিনিস আপনি যদি ফলো করেন তাহলে Blogger এর speed increases হবেই। আপনার সাইটও ভালভাবে রেঙ্ক করবে গুগলে। ছবিগুলোও Google Image Rank করবে। 

Blogging page speed increase নিয়ে আপনার আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জিজ্ঞেস করতে পারেন। আমি অবশ্যই সাহায্য করব।  
আরও পড়ুন

    


WB SACT latest news


WB SACT Today's News


Bartaman patrika রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত অতিথি শিক্ষকদের বর্ধিত ভাতা কার্যকর করার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। এই লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি যোগ্য শিক্ষকদের যাবতীয় নথি যাচাইয়ের জন্য সরাসরি ইন্টারভিউয়ের রাস্তায় নামছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। ইতিমধ্যে নথি যাচাইয়ের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। সেই প্রক্রিয়া শেষে বেশ কয়েক হাজার শিক্ষককে দপ্তর এবার ইন্টারভিউয়ে ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দপ্তরের চারজন উচ্চপদস্থ আমলাকে নিয়ে গঠিত কমিটি ইন্টারভিউয়ের পর এবিষয়ে তালিকা চূড়ান্ত করবে। তাদের তালিকা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা এবছরের জানুয়ারি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত বর্ধিত পাঁচ হাজার টাকা বর্ধিত ভাতা পাবেন। তার আগে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া পার করলেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের এই বর্ধিত ভাতার বিষয়ে অফার লেটার ইস্যু করা হবে বলে শনিবার সাংবাদিকদের জানান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই অবশ্য অতিথি সহ বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী কলেজ শিক্ষকদের বর্ধিত ভাতা দেওয়ার কাজ শুরু করার জন্য দপ্তরের তরফে তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়। এই ধরনের মোট সাড়ে ১৪ হাজার অস্থায়ী শিক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের মেয়াদ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ যাবতীয় নথি আনানোর পর তা যাচাইয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলেন আটজন জয়েন্ট ডিপিআই পদমর্যাদার অফিসার। এখনও পর্যন্ত সিংহভাগ শিক্ষকেরই নথি যাচাইয়ের কাজ প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে। অতিথি শিক্ষকদের পাশাপাশি পার্ট টাইম এবং চুক্তিভিত্তিক কলেজ শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও দপ্তরের এই চার সদস্যের বিশেষ কমিটির ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত যাচাই প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

SACT NEWS

বর্ধিত ভাতা চালু করার আগে এই শিক্ষকদের দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফায় ফের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা কেন করা হচ্ছে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে। দপ্তর সূত্রের খবর, অনলাইনের মাধ্যমে যে নথি বা তথ্য দপ্তরের কাছে এসেছে, বেশ কিছু শিক্ষকের ক্ষেত্রে তার সত্যাসত্য নিয়ে ধন্দ দেখা দিয়েছে। যোগ্যতা বা কাজের অভিজ্ঞতার মেয়াদ নিয়ে মূলত এই ধন্দ তৈরি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো জেলার কয়েকটি কলেজের ক্ষেত্রে এই ধরনের নজির ধরা পড়েছে। সব মিলিয়ে সাড়ে আট হাজার অতিথি শিক্ষকের মধ্যে অন্তত ৭৫০ জনের ক্ষেত্রে এই গরমিল রয়েছে বলে খবর আসে দপ্তরে। শিক্ষামন্ত্রীর কানে সে খবর আসার পরই স্বচ্ছতা রক্ষার্থে সরাসরি ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয় দফার ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার পথ বাছা হয়েছে।
পার্থবাবু বলেন, ইউজিসি’র যোগ্যতা মান থাকা এবং না-থাকা, দুই ধরনের অতিথি শিক্ষকদের ক্ষেত্রেই এই প্রক্রিয়া চালু করা হচ্ছে। ইন্টারভিউ পার করলেই তাঁরা বর্ধিত ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবেন। যে সব শিক্ষক এখনও প্রাথমিক যাচাইয়ের জন্য অনলাইনে নথি জমা করেননি, তাঁরাও এই সুযোগ পাবেন। সেজন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ধার্য করা হবে।

কিভাবে আপনি ব্লগিং শুরু করবেন এটা সবার আগে জানুন

How to start a Blog 2020

How to stars a Blog- Blog বা Blogging কিভাবে শুরু করব এই ভেবে ভেবেই অনেকের অনেক বছর নষ্ট হয়েছে। কেউ কেউ হয়তো আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে আজ। কিন্ত আপনি চোখ কান খোলা রেখে কাজ শুরু করলে আজ Blogging Badsha হতেন।

How to start a blog

Blogging ধাপে ধাপে শিখুন

১) সবার প্রথমে একটা সুন্দর নাম ঠিক করতে হবে
যে বিষয় নিয়ে আপনি কাজ করতে চাইছেন সেই বিষয়টা যেন আপনার ব্লগারের নামের ভেতর থাকে। যেমন আমি চাইছিলাম প্রেমের গল্পের উপরে ব্লগ ওয়েবসাইট বানাতে। আমার ওয়েবসাইটের নাম প্রেমেরগল্প.কম  

২) এরপর ঠিক করুন Blogger না WordPress করতে চাইছেন।  
ব্লগারে কাজ করলে একটা সুবিধা যে আপনাকে Hosting কিনতে হবে না। ব্লগার গুগলের নিজস্ব প্রোডাকশন। শুধু মাত্র Domain কিনলেই হবে।
[ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে দেওয়া হল]   

কিন্তু আপনি যদি এক্কেবারে সিরিয়াস যে ব্লগিং দীর্ঘদিন ধরে করবেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেসের বিকল্প নেই। হ্যাঁ খরচা আছে। ২/৩ হাজার টাকার মতো খরচা আপনাকে করতে হবে শুরুতেই। তবে ব্লগিং এ আপনি যদি সিরিয়াস তাহলে এই টাকাটা উঠতে প্রথম দুমাসের বেশি লাগবে না। আমি বারবার বলব ভেবে এতটা টাকা খরচা করবেন।

বাংলা ব্লগার
৩) আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের নাম কোথায় কিনবেন?  
আপনি যে বিষয়ের উপর ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে চাইছেন সেই নাম নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে বিষয়টা ঠিক করুন। আজকে ভাবছেন রান্নাবান্নার উপর সাইট বানাবেন কিন্তু কদিন পর মনে হল না রান্নাবান্না নয় মাছধরার উপরে লিখবেন এটা যেন না হয়। আর একটা কথা খেয়াল রাখবেন খিঁচুড়ি ওয়েবসাইট কখনই গুগল পছন্দ করে না। আপনার যে বিষয়ে ওয়েবসাইট সেই বিষয়েই আপনাকে লিখতে হবে। অন্যবিষয়ক লিখতে চাইলে আপনাকে আরও আরেকটা ওয়েবসাইট বানাতে হবে। আপনি যতখুশি সাইট বানাতে পারেন নো প্রবলেম। 
ব্লগ বা ওয়েবসাইটের নাম কেনার জন্য প্রচুর সাইট আছে আমি পার্সোনালি বলব Godaddy Namecheap bluehost  যেখান থেকে খুশি কিনতে পারেন। 

আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতায় এই তিন ওয়েবসাইট বেটার। তবে এই তিনের ভেতর bluehost বেশি বেটার। কারণ এদের কাস্টমার সাপোর্ট অসাধারণ । যেকোনও সমস্যা এরা ২৪ ঘন্টা আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধান করে। ওয়েবসাইটের নাম কিনতে আপনাকে আনুমানিক ২০০-৫০০ টাকা এক বছরের জন্য পে করতে হবে।  নাম কিনবেন .com .in .net .online এই চারটার ভেতর। এর বাইরে কম দামে পেলেও কিনবেন না। পরে হাজারটা প্রবলেম হবে। Google AdSense যা আপনার রোজগারের প্রধান উৎস (আপাতত) তা এই চার বাদে তেমন পাত্তা দিচ্ছে না ২০১৯ এ।

৪) ★★★★★ ব্লগ ওয়েবসাইট আপনার যাই নিয়েই হোক না কেন কোনও কিছু কপি পেস্ট করবেন না। চিরদিনের মতো আপনার স্বপ্নের তাহলে সমাপ্তি ঘটবে। ছবি নিজে বানাবেন। ছবি তৈরির জন্য ব্যবহার করবেন Canva আপনি চাইলে অন্য ফটো এডিটার ইউজ করতে পারেন। কিন্তু ইন্টারনেট থেকে সরাসরি ডাউনলোড করা ছবি পেস্ট করবেন না। এমনকি ফ্রি ছবিও না। ফ্রি ছবি আপনার আগে যে ব্যবহার করেছে সেই ছবির কপিরাইট তার অধিনে এটা খেয়াল রাখবেন। 

সৎ ভাবে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করুন দেখবেন সাফল্য আপনার পায়ের নিচে লুটিয়ে পড়ছে। চালাকি বা চুরি দিয়ে একমাসের বেশি গুগলে টিকতে পারবেন না। 

৫) Contents is King
 SEO নিয়ে চিন্তা করবেন না। আমি দায়িত্ব নিলাম। আর সব সময় মাথায় রাখবেন SEO বা Backlink প্রয়োজনীয় হলেও Contents is King এটা মাথায় রাখবেন । আপনি যা লিখছেন সেটা যদি সেরার সেরা হয় তাহলে গুগল নিজেই আপনার লেখাকে রেঙ্ক করিয়ে দেবে, আপনাকে কিছুই করতে হবে না। 

ডোমেন কেনার পর কিভাবে সেটাপ করতে হবে কোন থিম ব্যবহার করবেন তা নিয়ে পরের পোস্টে আলোচনা করব। 
★★আবারও বলছি সিরিয়াস না হলে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করবেন না, ফালতু তিন চার হাজার টাকা নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। কিন্তু আপনি সিরিয়াস হলে অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করুন। লাগুক তিন চার হাজার। ওই টাকা উঠে আসতে সময় লাগবে না।

What is domain:- 

ডোমেইন হচ্ছে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের নাম যা দিয়ে আলাদা আলাদা ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে চেনা যায়। প্রত্যেক ডোমেইনের আই.পি এড্রেস আলাদা আলাদা। আর আই.পি দিয়েই গুগল সহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ব্লগ/ওয়েবসাইটকে ট্রাক করে। কোন সাইটের বিষয় কী তা নির্ধারণ করে।এমনকি টপিকগুলোকেও চিনতে বুঝতে পারে।       
Domain names are used to identify one or more IP addresses. For example, the domain name microsoft.com represents about a dozen IP addresses. Domain names are used in URLs to identify particular Web pages.

For example, in the URL https://www.premergolpo.com/bengali-shayari/) যারা এক্কেবারে প্রথম শুরু করতে চাইছেন তাদের জন্য ব্লগার বেস্ট। 

What is hosting:- 

হোস্টিং পুরো ওয়েবসাইট পরিচালনা করে। ধরুন আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর লোক একসঙ্গে ভিজিট করেছে। তারা আলাদা টপিক সার্চ করে এসেছে, আলাদা আলাদা লেখা পড়ছে। এই যে আলাদা আলাদা ভাবে ভিজিটরদেরকে পরিচালনা করা, ওয়েবসাইটের লোড কন্ট্রোল করা এই কাজ হোস্টিং করে। ঠিক যেন ড্রাইভার খালাশির একত্রিত রূপ। আলাদা আলাদা লোককে আলাদা আলাদা গন্তব্যে নিরাপদ ভাবে পৌঁছে দেওয়া এর কাজ।
 
Web hosting is a service that allows organizations and individuals to post a website or web page onto the Internet. A web host, or web hosting service provider, is a business that provides the technologies and services needed for the website or webpage to be viewed in the Internet. Websites are hosted, or stored, on special computers called servers. When Internet users want to view your website, all they need to do is type your website address or domain into their browser. Their computer will then connect to your server and your webpages will be delivered to them through the browser. 

কিভাবে ডোমেইন কিনবেন দেখেনিন